Blog

  • বোয়েসেলের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায়

    বোয়েসেলের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায়

    স্বপ্নের দেশ দক্ষিণ কোরিয়া যেতে চান? কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায় জানেন না? দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কি কি লাগে এসব জানেন না?

    দক্ষিণ কোরিয়া ভিসা আবেদন করার নিয়ম এবং দক্ষিণ কোরিয়া যেতে যা যা করতে হবে সবকিছু নিয়ে আজকের এই ব্লগে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন, কীভাবে দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করা যায় এবং দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।


    দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায়

    দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্প খাতে কর্মসংস্থান পারমিট সিস্টেম (ইপিএস)-এর মাধ্যমে প্রতিবছর হাজার হাজার বাংলাদেশি কর্মী সরকারিভাবে দেশটিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এই কর্মীদের নির্বাচন ও প্রেরণের দায়িত্ব পালন করে।

    বোয়েসেলের তথ্য অনুযায়ী, পূর্বের বছরে ৫ হাজার+ বাংলাদেশি কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের জন্য গেছেন। ২০২৪ সালে ৩ থেকে ৪ হাজার বাংলাদেশি কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে, তাদের ন্যূনতম মাসিক আয় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অতিরিক্ত সময় কাজ করলে তাদের আয় তিন লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বেতনের সাথে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও কোম্পানি প্রদান করে। অনেক কর্মী প্রতি মাসে তাদের পরিবারের জন্য ১ লাখ টাকা পর্যন্ত রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন।

    দক্ষিণ কোরিয়া গেলে প্রতি মাসে উপরোক্ত বেতনের মতোই আয় করতে পারবেন প্রতি মাসে। তো চলুন, দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কি কি লাগে এবং কত টাকা লাগে এসব বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

    দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কি কি লাগে

    দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যেতে চাইলে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার জন্য এবং ভিসা আবেদন করতে কিছু ডকুমেন্ট লাগবে। দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কি কি লাগে তার একটি তালিকা নিচে উল্লেখ করে দিয়েছি। দেখে নিতে পারেন।

    • ৬ মাস বা এর বেশি মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট
    • দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক পারমিট
    • মেডিকেল রিপোর্ট
    • কোরিয়ান ভাষার দক্ষতার সার্টিফিকেট
    • কাজের দক্ষতার প্রমাণপত্র
    • জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি
    • কালার ব্লাইন্ড বা বর্ণান্ধ হওয়া যাবেনা
    • বোয়েসেল ফি
    • বোয়েসেলে জামানত
    • এছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট

    উপরোক্ত ডকুমেন্টগুলো এবং ভিসা প্রসেসিং ফি, বোয়েসেলে জমা দেয়া জামানত এসবকিছু থাকলে আপনিও যেতে পারবেন দক্ষিণ কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে প্রতি বছর কর্মী নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া গিয়ে প্রতি মাসে ১.৫ লক্ষ টাকা থেকে ওভারটাইম সহ ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। অনেকেই ওভারটাইম করে প্রতি মাসে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছে।

    দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কি কি কাগজপত্র লাগে তা তো জানা হলো, চলুন, দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে জেনে নেয়া যাক।

    দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে

    দক্ষিণ কোরিয়া যেতে অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম খরচ হয়। দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত একজন শ্রমিকের থেকে জানা গেছে যে, বোয়েসেল সার্ভিস চার্জ সহ প্রায় ৩৪ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। এছাড়া, বোয়েসেলের কাছে ১ লক্ষ টাকা জামানত রাখতে হয় এবং বিমান ভাড়া প্রায় ৫০ হাজার টাকায় মতো যায়। সবমিলিয়ে মোট ২ লক্ষ টাকার মাঝেই দক্ষিণ কোরিয়া কাজের ভিসায় আসা যায়।

    কাজের ভিসায় দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য বোয়েসেলের কাছে জামানত রাখা ১ লক্ষ টাকার পরিমাণ এখন বাড়িয়ে ৩ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। তবে, কন্ট্রাক্ট শেষে দেশে ফিরে বোয়েসেলের কাছে আবেদন করে জামানতের পুরো টাকা ফেরত পাওয়া যায়। তাই, জামানতের টাকার হিসেব বাদ দিয়ে মাত্র ১ লক্ষ টাকার মাঝেই দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়া যায় বলা চলে।

    তবে, অন্যান্য খরচ যেমন পাসপোর্ট, ভিসা প্রসেসিং এবং আনুসাঙ্গিক খরচ মিলিয়ে মাত্র ১.৫ লক্ষ টাকা লাগতে পারে দক্ষিণ কোরিয়া যেতে। এছাড়া, মোট হিসেব করলে জামানত সহ মাত্র ৪.৫ লক্ষ টাকায় দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যাওয়া সম্ভব।


    ছয়টি ধাপে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায়

    দক্ষিণ কোরিয়া যেতে হলে ছয়টি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। এই ছয়টি ধাপ অতিক্রম করে কীভাবে সহজেই দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়া যায়, সেসব জানতে পারবেন নিচে উল্লিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে। তো, দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায়গুলো জেনে নেয়া যাক।

    ধাপ ১ – অনলাইনে আবেদন

    দক্ষিণ কোরিয়া যেতে চাইলে প্রথমেই বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার পর লটারি করা হয়। প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল মাসে লটারির জন্য নিবন্ধন শুরু হয়। নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর লটারি করা হয়। লটারি শেষে যাদের নাম আসে, তারা দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার সুযোগ পান।

    ধাপ ২ – কোরিয়ান ভাষা 

    দক্ষিণ কোরিয়া যেতে হলে কোরিয়ান ভাষা শিখতে হবে। লটারিতে নাম আসার পর প্রার্থীরা ২ মাসের সময় পান কোরিয়ান ভাষা শেখার জন্য। ২ মাস পর তাদের কোরিয়ান ভাষার পরীক্ষা নেয়া হয়। এইচআরডি কোরিয়া থেকে মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। এর মাঝে রিডিং ১০০ নাম্বার এবং লিসেনিং ১০০ নাম্বার। পরীক্ষার সময় ৫০ মিনিট।

    পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ হলে স্কিল টেস্ট নেয়া হয়। 

    ধাপ ৩ – স্কিল টেস্ট

    দক্ষিণ কোরিয়া গিয়ে কাজ করার সক্ষমতা যাচাই করার জন্য স্কিল টেস্ট নেয়া হয়ে থাকে। এইচআরডি কোরিয়ার প্রতিনিধিরা এই পরীক্ষা নিয়ে থাকে। পরীক্ষায় কিছু রিং দেয়া হয়, সেগুলো দ্রুত মেশিনে লাগাতে হয়। এভাবে করে আরও কিছু ধাপ অতিক্রম করে স্কিল টেস্ট এক্সাম দিতে হয়। এছাড়াও, আবেদনকারী প্রার্থীরা কালার ব্লাইন্ড বা বর্ণান্ধ কিনা সেটি যাচাই করা হয়। 

    ধাপ ৪ – মেডিকেল টেস্ট

    ভাষা পরীক্ষা এবং স্কিল টেস্ট এ উত্তীর্ণ হওয়ার পর নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হয়। প্রথমত, তাদের নিজ নিজ জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা দিতে হবে। এই পরীক্ষায় রক্ত পরীক্ষা, যক্ষ্মা ও হেপাটাইটিস ‘বি’ পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকে। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীদের নিজ নিজ থানা থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ করতে হয়।

    ধাপ ৫ – বোয়েসেল ফি এবং জামানত

    উপরোক্ত ধাপগুলো সম্পন্ন করার পর বোয়েসেল ফি এবং বোয়েসেলে জামানত প্রদান করতে হয়। পূর্বে ১ লক্ষ টাকা জামানত নিলেও এখন ৩ লক্ষ টাকা জামানত নেয়া হয় বলে জানা গেছে। এছাড়া, বোয়েসেলের ফি প্রায় ৩৪ হাজার টাকার মতো লাগে। এই ফি এবং জামানত প্রদান করতে হয়। জামানতের টাকা কন্ট্রাক্ট শেষে দেশে ফিরে আবেদন করলে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

    তবে, কন্ট্রাক্ট শেষে অন্য কোম্পানির সাথে আবারও কন্ট্রাক্ট করলে এই জামানতের টাকা ফেরত দেয়া হয়না বলে জানা গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রবাসীরা এই নিয়মের পরিবর্তন চাচ্ছেন। 

    ধাপ ৬ – ফ্লাইট টিকেট ক্রয়

    সকল কাজ শেষে ফ্লাইট টিকেট কাটতে হয়। এজন্য ৫০ হাজার টাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা লেগে থাকে। ফ্লাইট টিকেট কেটে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়া যায়। এরপর, প্রটি মাসে ১.৫ লক্ষ টাকা সহ ওভারটাইম করলে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা যায়। প্রতি মাসে নিজের ব্যক্তিগত খরচ ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হলেও প্রায় সব টাকাই জমানো যায়। 

    এছাড়া, থাকা এবং খাওয়ার খরচ তো কোম্পানি বহন করেই। তাই, দক্ষিণ কোরিয়া যেতে চাইলে লটারি নিবন্ধন শুরু হতেই আবেদন করুন এবং এই পোস্টে উল্লিখিত উপরোক্ত সকল ধাপ অতিক্রম করে দক্ষিণ কোরিয়া গিয়ে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করুন। 


    আরও পড়ুনঃ লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং লিবিয়া যাওয়ার উপায়

    আরও পড়ুনঃ লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় ও খরচ

    আরও পড়ুনঃ অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম


    শেষ কথা

    এতক্ষণ যাবত দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। পোস্টে উল্লেখ করে দেয়া দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার উপায় এবং ধাপগুলো অনুসরণ করলে সহজেই কোরিয়া যেতে পারবেন। 

    প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, আজকের এই পোস্টে আমরা বোয়েসেলের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার সহজ উপায়, খরচ ও আবেদনের নিয়ম সম্পর্কে জানলাম। পরবর্তী পোস্টে আমরা এশিয়া অথবা ইউরোপের অন্য কোনো দেশের ভিসার আপডেট সম্পর্কে জানবো। নিয়মিত ইউরোপের উচ্চশিক্ষা, মধ্যপ্রাচ্যের ভিসা আপডেট ও শিক্ষার আপডেট জানতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট। এবং ফেসবুকে নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের অফিশিয়াল পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।

  • ফেসবুক পেজে লাইক বাড়ানোর উপায়

    ফেসবুক পেজে লাইক বাড়ানোর উপায়

    ফেসবুক পেজে লাইক বাড়াতে চাচ্ছেন? কিন্তু ফেসবুক পেজে লাইক বাড়ানোর উপায় জানেন না? দুইটি পদ্ধতি অবলম্বন করে কীভাবে সহজেই ফেসবুক পেজে লাইক বাড়ানো যায়, সেটাই জানতে পারবেন এই পোস্টে।

    কেউ শখের বসে ফেসবুক পেজ তৈরি করে, আবার কেউ ফেসবুক পেজ তৈরি করে টাকা ইনকাম করার জন্য। আপনার উদ্দেশ্যে যাই হোক না কেন, ফেসবুক পেজটি অধিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং পেজ গ্রো করার জন্য অবশ্যই পেজের লাইক বেশি হতে হবে।

    যারা নতুন ফেসবুক পেজ তৈরি করেন, তাদের মাঝে অধিকাংশই জানেন না যে কীভাবে ফেসবুক পেজের লাইক বাড়ানো যায়। একারণে, অনেকেই শেষমেশ পেজ ফেলে রাখেন বা ডিলেট করে দেন। তো চলুন, ফেসবুক পেজে লাইক বাড়ানোর উপায় জেনে নেয়া যাক।


    ফেসবুক পেজে লাইক বাড়ানোর উপায়

    ফেসবুক পেজে দুইটি পদ্ধতিতে লাইক বাড়াতে পারবেন। একটি হচ্ছে অর্গানিকভাবে এবং অপরটি হচ্ছে পেইড ভাবে। তবে, আমরা আজকে অর্গানিকভাবে পেজের লাইক বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে জানবো। ফেসবুক পেজে লাইক বাড়ানোর উপায়গুলো নিচে উল্লিখিত। 

    • নিয়মিত পোস্ট করে
    • রিলেটেড গ্রুপে যোগদান করে
    • পেজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে

    এই তিনটি পদ্ধতি অনুসরণ করে ফেসবুক পেজে লাইক বাড়াতে পারবেন অনেক সহজেই। নিচে এসব পদ্ধতি নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন। 

    নিয়মিত পোস্ট করে লাইক বৃদ্ধি

    একটি ফেসবুক পেজ দ্রুত বৃদ্ধি করার মূলমন্ত্র হচ্ছে এখানে একটিভ থাকতে হবে এবং নিয়মিত পোস্ট করতে হবে। নিয়মিত পোস্ট করলে আপনার পূর্বের ফলোয়াররা পোস্টের সাথে এঙ্গেজ হবে। ফলে ফেসবুক পোস্টগুলো আরও অনেক মানুষের সামনে শো করবে। এতে করে আপনার পেজে নতুন নতুন মানুষ লাইক দিবে এবং ফলো করবে। 

    রিলেটেড গ্রুপে যোগদান করে লাইক বৃদ্ধি

    আপনার ফেসবুক পেজটি যে সম্পর্কিত, সেই সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রুপ সার্চ করলেই পাবেন। এসব গ্রুপে যোগদান করতে হবে পেজ দিয়ে কিংবা আপনার আইডি দিয়ে। এরপর, সে সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পোস্ট করতে হবে। ফলে, মানুষ আপনার পোস্ট দেখে আপনার পেজে লাইক দিবে এবং ফলো করবে। এভাবে করে নতুন নতুন ফলোয়ার বৃদ্ধি পাবে আপনার পেজে।

    পেজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে লাইক বৃদ্ধি

    একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করার পর সেই পেজটি সম্পর্কে কেউ জানবে না এটাই স্বাভাবিক। কারণ, পুরো ফেসবুক জুড়ে কয়েক কোটি পেজ রয়েছে। সবগুলো পেজ সম্পর্কে যেমন আমরা জানি না, তেমনি নতুন তৈরি করা পেজ সম্পর্কে অন্যরা জানবে না এটাই স্বাভাবিক। একারণে, নতুন পেজ তৈরি করার পর বন্ধুদের সাথে পেজটি শেয়ার করতে হবে।

    এছাড়াও, ফেসবুক পেজ থেকে বন্ধুদের ইনভাইট করার অপশন রয়েছে। এটি ব্যবহার করে বন্ধুদেরকে আপনার ফেসবুক পেজে লাইক দেয়ার জন্য ইনভাইট করতে পারবেন। ফলে, তারা আপনার ফেসবুক পেজে লাইক দিবে এবং আপনার পেজের লাইক বৃদ্ধি পাবে। এভাবে করে পেজটি ধীরে ধীরে গ্রো করবে।

    আপনার বন্ধুদেরকে তাদের বন্ধুদের কাছে পেজটি শেয়ার এবং লাইক দেয়ার জন্য ইনভাইট করতে বলতে পারেন। এতে করে পেজটিতে ধীরে ধীরে লাইক বৃদ্ধি পাবে।


    ফেসবুক পেজে ফলোয়ার বাড়ানোর উপায়

    ফেসবুক পেজে ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য প্রতিনিয়ত পোস্ট করার কোনো বিকল্প নেই। আপনার ফেসবুক পেজে যত বেশি একটিভ থাকবেন এবং এঙ্গেজিং পোস্ট করবেন, পেজটি তত নতুন নতুন মানুষদের কাছে পৌঁছাবে। এতে করে, নতুন নতুন অনেক ফলোয়ার যুক্ত হবে আপনার পেজে।

    এছাড়াও, বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হয়ে সেসব গ্রুপে পোস্ট করতে হবে। এভাবে করে আপনার পেজের সাথে সম্পর্কিত মানুষদেরকে ফলোয়ার বানাতে পারবেন সহজেই। এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করার পাশাপাশি আপনার পেজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। 


    আরও পড়ুন: লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় ও খরচ

    আরও পড়ুন: লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং লিবিয়া যাওয়ার উপায়


    শেষ কথা

    এই পোস্টে আপনাদের সাথে ফেসবুক পেজের লাইক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। উপরোক্ত নিয়মগুলো অনুসরণ করলে আপনার ফেসবুক পেজের লাইক এবং ফলোয়ার বাড়াতে পারবেন ফ্রিতেই। 

  • লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং লিবিয়া যাওয়ার উপায়

    লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং লিবিয়া যাওয়ার উপায়

    লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং লিবিয়া যাওয়ার উপায় নিয়ে আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো। লিবিয়া যেতে চাইলে লিবিয়া ভিসা করার নিয়ম এবং লিবিয়া যেতে কি কি লাগে জানা জরুরি।

    লিবিয়া উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত একটি দেশ। এটি ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং এর পূর্বে মিশর, দক্ষিণ-পূর্বে সুদান, দক্ষিণে চাদ এবং নাইজার, এবং পশ্চিমে আলজেরিয়া এবং তিউনিসিয়া রয়েছে। লিবিয়ার আয়তন ১,৭৫৯,৫৪০ বর্গ কিলোমিটার (৬৭৯,৩৫৮ বর্গ মাইল), যা এটিকে বিশ্বের ১৭ তম বৃহত্তম দেশ করে তোলে। লিবিয়ার জনসংখ্যা প্রায় সাত মিলিয়ন, যার বেশিরভাগই ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে বাস করে।

    আমাদের দেশের অনেকেই লিবিয়া গিয়ে টাকা উপার্জন করতে আগ্রহী। কিন্তু, লিবিয়া যেতে কি কি লাগে, লিবিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে  এবং লিবিয়া যাওয়ার উপায় এসব জানেন না। তো চলুন, লিবিয়া ভিসা করতে কি কি লাগে এবং লিবিয়া ভিসা আবেদন করার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেয়া যাক।


    লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে

    সরকারিভাবে লিবিয়া যেতে ১ লক্ষ টাকা থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা লেগে থাকে। তবে, কোনো ভিসা এজেন্সির সহযোগিতা নিয়ে লিবিয়া ভিসা করলে ৩ লক্ষ টাকা থেকে ৪ লক্ষ টাকা লাগতে পারে। কিন্তু, আপনি যদি কোনো দালালের সহযোগিতা নিয়ে লিবিয়া ভিসা করেন, তাহলে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা লাগতে পারে।

    লিবিয়া ভিসা করতে কত টাকা লাগবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনি কোন ভিসার জন্য আবেদন করছেন এবং কোন মাধ্যমে আবেদন করছেন। লিবিয়ার কয়েক ধরনের ভিসা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে – লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, লিবিয়া ভিজিট ভিসা এবং লিবিয়া স্টুডেন্ট ভিসা।

    এই তিনটি ভিসায় লিবিয়া যেতে পারবেন। লিবিয়া যেতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় ৩ লক্ষ টাকা থেকে ৪ লক্ষ টাকা লাগে। স্টুডেন্ট ভিসায় লিবিয়া যেতে ৭০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা লেগে থাকে। তবে, ভিজিট ভিসায় লিবিয়া যেতে ১ থেকে ১.৫ লক্ষ টাকা লেগে থাকে।

    ভিসা এজেন্সির কিংবা দালালের সহযোগিতা নিলে লিবিয়া যেতে ভিসা খরচ বেশি হবে। নিজে থেকে আবেদন করলে এবং সরকারি ভাবে লিবিয়া যেতে খুবই কম খরচ লাগে।


    লিবিয়া যেতে কি কি লাগে

    লিবিয়া যেতে চাইলে কিছু ডকুমেন্ট লাগবে। লিবিয়া যেতে কি কি কাগজ লাগে তার একটি তালিকা নিচে উল্লেখ করে দিয়েছি। লিবিয়া কাজের ভিসায় যেতে চাইলে লিবিয়া যেতে কি কি কাগজপত্র লাগবে দেখে নিতে পারেন। 

    • ৬ মাস মেয়াদি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট
    • এনআইডি কার্ডের কপি
    • জন্ম সনদ (যদি লাগে)
    • সদ্য তোলা ০২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
    • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
    • মেডিকেল রিপোর্ট এর কপি।
    • কাজের দক্ষতার প্রমাণপত্র।
    • লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট এর কপি।
    • ব্যাংক স্টেটমেন্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

    উপরোক্ত কাগজপত্রগুলো হলে লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করে সহজেই লিবিয়া যেতে পারবেন। লিবিয়া যেতে হলে এসব ডকুমেন্ট লাগবেই। তবে, লিবিয়া ভিসা আবেদন করার পূর্বে লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করতে হবে। ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া লিবিয়া ভিসা আবেদন করতে পারবেন না।


    লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট আবেদন

    লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট না হলে আপনি কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট নিতে হলে উপরোক্ত ডকুমেন্টগুলো দিয়ে যে কোম্পানিতে কাজ করতে চাচ্ছেন বা যে নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করতে চাচ্ছেন, তার থেকে একটি ওয়ার্ক পারমিট নিতে হবে।

    ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারেন কিংবা কোনো ভিসা এজেন্সির সহযোগিতা নিয়ে ওয়ার্ক পারমিট নিতে পারেন। ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পর কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে কিংবা লিবিয়া ভিসা কনস্যুলেট এর মাধ্যমে।

    লিবিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি

    লিবিয়া গিয়ে এমন কিছু কাজ করতে পারবেন যার চাহিদা অনেক বেশি। লিবিয়ায় যেসব কাজের চাহিদা বেশি, সেসব কাজ করলে অল্প সময়ের মাঝে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। লিবিয়ায় যেসব কাজের চাহিদা সবথেকে বেশি এগুলো হচ্ছে –

    • টাইলসের কাজ
    • রেস্টুরেন্টের কাজ
    • রাজমিস্ত্রির কাজ
    • বাসা বাড়ির কাজ
    • হোটেলের কাজ

    উপরোক্ত কাজগুলোর লিবিয়ায় অনেক বেশি চাহিদা রয়েছে। এই কাজগুলোর ভিসা করে লিবিয়া যেতে পারলে ভালো পরিমাণ বেতনে কাজ করতে পারবেন। লিবিয়ার টাকার মান বেশি হওয়ার কারণে অল্প ইনকামে বেশি টাকা পাবেন।


    লিবিয়া যাওয়ার উপায়

    সহজে লিবিয়া যাওয়ার উপায় হচ্ছে লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট এর জন্য আবেদন করা এবং ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে লিবিয়া ভিসার জন্য আবেদন করা। লিবিয়া গিয়ে কাজ করতে চাইলে অবশ্যই লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট নিতে হবে। ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পর কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

    লিবিয়া যাওয়ার উপায় নিচে ধাপে ধাপে উল্লেখ করে দিয়েছি। নিম্নোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করে লিবিয়া কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। 

    ধাপ ১ – লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট আবেদন

    লিবিয়া যেতে হলে প্রথমেই ওয়ার্ক পারমিট এর জন্য আবেদন করতে হবে। লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট পেতে পাসপোর্ট, কাজের দক্ষতার প্রমাণপত্র, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি দিয়ে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে হবে।

    যে কোম্পানিতে কাজ করতে ইচ্ছুক, সেখানে অনলাইনে বা ভিসা এজেন্সির মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপর, ওয়ার্ক পারমিট পেয়ে গেলে ভিসা আবেদন করতে পারবেন ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে।

    ধাপ ২ – ভিসা আবেদন করুন

    লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পর কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। লিবিয়া কাজের ভিসার আবেদন করতে বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত লিবিয়া ভিসা এম্বাসিতে যোগাযোগ করতে হবে। এরপর, তাদের থেকে আপনি যে কাজের ভিসায় লিবিয়া যেতে চাচ্ছেন, সেই কাজের ভিসা ফরম নিতে হবে।

    অতঃপর, সকল তথ্য দিয়ে ভিসা আবেদন পূরণ করতে হবে। ভিসা আবেদন পূরণ করার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

    ধাপ ৩ – প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ ভিসা আবেদন জমাদান

    লিবিয়া ভিসা ফরম পূরণ করার পর প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সহ লিবিয়া ভিসা ফরমটি জমা দিতে হবে লিবিয়া ভিসা এম্বাসিতে। এরপর, আপনার স্বাক্ষর, বায়োমেট্রিক তথ্য এবং আইরিশ প্রদান করতে হবে।

    ভিসা ফি, ভিসা প্রসেসিং ফি এবং অন্যান্য আনুসাঙ্গিক সকল খরচ দিয়ে সহজেই ভিসা করতে পারবেন। ভিসা আবেদন করার পর অপেক্ষা করতে হবে ভিসা প্রসেসিং হওয়ার জন্য। ভিসা প্রসেসিং হলে ফ্লাইট টিকেট কেটে লিবিয়া যেতে পারবেন।

    লিবিয়া যেতে হলে উপরোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন। লিবিয়া কাজের ভিসা পেতে লিবিয়া ভিসা এম্বাসিতে যোগাযোগ করুন। আশা করছি, লিবিয়া যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

    লিবিয়া যাওয়ার উপায় তো জানা হলো, চলুন লিবিয়া যেতে কত বয়স লাগে এবং লিবিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি জেনে নেয়া যাক।


    আরও পড়ুন: লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় ও খরচ

    আরও পড়ুন: অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম


    লিবিয়া যেতে কত বছর বয়স লাগে

    লিবিয়া যেতে কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স হতে হবে। ১৮ বছর বয়সের কম হলে লিবিয়া ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। লিবিয়া ভিসার জন্য পাসপোর্ট করতেও ১৮ বছর বয়স হতে হবে। এছাড়া, ১৮ বছর বয়সের নিচে তো এখন জাতীয় পরিচয় পত্র দেয়ইনা। ১৮ বছর বয়স হলে লিবিয়া কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    লিবিয়া কোন কাজের বেতন কত 

    লিবিয়াতে বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন। কাজের উপর ভিত্তি করে বেতন নির্ধারিত হয়ে থাকে। লিবিয়া গিয়ে যেকোনো কাজ করে প্রতি মাসে ৬০ হাজার টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। লিবিয়া কাজের উপর দক্ষতা থাকলে আরও বেশি বেতন পাওয়া যায়। যে কাজের ভিসা করবেন, সেই কাজে দক্ষতা থাকলে আরও বেশি বেতনে কাজ করতে পারবেন। 

    আমাদের শেষ কথা

    আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে লিবিয়া যাওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। লিবিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং লিবিয়া যেতে কি কি লাগে আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। যারা বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসায় লিবিয়া যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভিসা সম্পর্কিত আরও এমন তথ্য জানতে আমাদের ওয়েবসাইটটি প্রতিনিয়ত ভিজিট করুন।

  • অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম

    অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম

    অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে চাচ্ছেন? মেডিকেল চেকআপ করার পর মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে চান অনেকেই। আজ আপনাদের সাথে অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম শেয়ার করবো। 

    দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য ভিসা প্রয়োজন হয়। ভিসা করার জন্য ভিসা আবেদন করার সময় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট এর সাথে মেডিকেল রিপোর্ট চাওয়া হয়। একজন ব্যক্তি দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য ফিট আছে কিনা জানার জন্যই এই রিপোর্ট চেক করা হয়ে থাকে।

    আপনি যদি Medical Checkup করিয়ে থাকেন, তাহলে কিভাবে অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে হয় জানতে পারবেন এই পোস্টে। তো চলুন, পোস্টের মূল বিষয়ে ফিরে আসা যাক।


    অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক

    অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার জন্য wafid.com ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। এরপর, পাসপোর্ট এর নাম্বার এবং দেশের নাম সিলেক্ট করে চেক বাটনে ক্লিক করে সহজেই অনলাইনে মেডিক্যাল রিপোর্ট চেক করা যাবে। মেডিক্যাল রিপোর্ট অনলাইনে চেক করার জন্য এই পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে পারেন। যদি বুঝতে না পারেন, তাহলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন। 

    অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম

    অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার ওয়েবসাইট হচ্ছে wafid.com। এই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে আপনার মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে পারবেন। অনলাইনে মেডিক্যাল রিপোর্ট যাচাই করার জন্য পাসপোর্ট নাম্বার এবং দেশের নাম জানতে হবে। এগুলো জানা থাকলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই আপনার মেডিকেল চেকআপ এর রিপোর্ট দেখতে পারবেন।

    মেডিকেল রিপোর্ট অনলাইনে চেক করার জন্য – 

    • প্রথমেই ভিজিট করুন https://wafid.com/medical-status-search/ ওয়েবসাইট। 
    • এরপর, আপনি পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে চাচ্ছেন নাকি ওয়াফিদ স্লিপ নাম্বার দিয়ে তা সিলেক্ট করতে হবে
    • পাসপোর্ট সিলেক্ট করে থাকলে প্রথম বক্সে আপনার পাসপোর্ট নাম্বারটি লিখুন এবং পাশে থেকে দেশের নাম নির্বাচন করে দিন।
    • এখন, Check বাটনে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনার মেডিকেল রিপোর্ট অনলাইনে চেক করতে পারবেন। 

    এছাড়াও, ওয়াফিদ স্লিপ নাম্বার দিয়েও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে পারবেন। এজন্য, ওয়াফিদ স্লিপ নাম্বারটি প্রয়োজন হবে যা আপনি মেডিক্যাল চেকআপ করার পর পেয়েছিলেন। তাহলে, এই দুইটি পদ্ধতির যেকোনো একটি ব্যবহার করে Medical Report Check করতে পারবেন।


    মালয়েশিয়া মেডিকেল রিপোর্ট চেক

    মালয়েশিয়া মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার জন্য eservices.imi.gov.my/myimms/FomemaStatus ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। এরপর, আপনার পাসপোর্ট নাম্বার লিখবেন এবং কোন দেশের নাগরিক তা সিলেক্ট করে দিবেন। অতঃপর, ডান দিকে থাকা Search বাটনে ক্লিক করে সহজেই মালয়েশিয়া মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে পারবেন। 

    মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য মেডিকেল চেকআপ করে থাকলে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে মালয়েশিয়া মেডিকেল রিপোর্ট চেক করতে পারবেন এবং জানতে পারবেন আপনার মেডিকেল চেকআপ রিপোর্টে আপনি ফিট আছে নাকি কোনো সমস্যা আছে। মেডিকেল রিপোর্ট ঠিক না থাকলে বিদেশ যেতে পারবেন না। 

    মেডিকেল রিপোর্ট ডাউনলোড

    মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার পর আপনি চাইলে মেডিকেল রিপোর্ট ডাউনলোড করতে পারবেন। অনলাইন থেকে মেডিকেল রিপোর্ট ডাউনলোড করার জন্য wafid.com ওয়েবসাইট গিয়ে প্রথমেই মেডিক্যাল রিপোর্ট চেক করতে হবে। এরপর, আপনি চাইলে উক্ত ওয়েবসাইট থেকেই মেডিকেল রিপোর্টটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এরপর, এটি প্রিন্ট করে আপনার প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিতে পারবেন। 

    মেডিকেল রিপোর্ট পেতে কতদিন লাগে

    পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে মেডিকেল চেকআপ করার ২-৩ দিনের মাঝেই মেডিকেল রিপোর্ট তৈরি হয়ে যায়। এরপর, আপনি চাইলে অনলাইনে মেডিকেল এর রিপোর্ট চেক করতে পারবেন। এজন্য, wafid.com ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন কিংবা আপনি যে ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে চেকআপ করিয়েছিলেন, সেখানে যোগাযোগ করে আপনার পাসপোর্ট নাম্বার/পুরো নাম এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে রিপোর্ট চেক করতে পারবেন। 


    আরও পড়ুন: লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় ও খরচ


    প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, আজকের এই পোস্টে আমরা অনলাইনে মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম ও মালয়েশিয়া মেডিকেল রিপোর্ট চেক সম্পর্কে জানলাম। পরবর্তী পোস্টে আমরা বিদেশে যাওয়া সম্পর্কিত অন্য কোনো বিষয় জানবো। নিয়মিত ইউরোপের উচ্চশিক্ষা, মধ্যপ্রাচ্যের ভিসা আপডেট ও শিক্ষার খবর জানতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট। এবং ফেসবুকে নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের অফিশিয়াল পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।

  • লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় ও খরচ

    লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় ও খরচ

    লুক্সেমবার্গ হচ্ছে পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ। লুক্সেমবার্গ গিয়ে টাকা আয় করতে চাইলে লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিতে হবে। লুক্সেমবার্গ যেতে কত টাকা লাগে, লুক্সেমবার্গ বেতন কত টাকা এবং লুক্সেমবার্গ কোন কাজের চাহিদা বেশি তা নিয়েই আজকে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো। 

    অনেকের ইচ্ছে ইউরোপ গিয়ে টাকা উপার্জন করা। ইউরোপের টাকার মান বেশি, জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হওয়ার কারণে আমাদের দেশের অনেকেই ইউরোপ যেতে চান। ইউরোপের উন্নত দেশগুলোর মাঝে লুক্সেমবার্গ অন্যতম। বলা হয়ে থাকে লুক্সেমবার্গের প্রতিটি মানুষ মিলিয়নিয়ার। 

    তো চলুন, কিভাবে লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিতে হয় এবং লুক্সেমবার্গে কোন কাজের চাহিদা বেশি জেনে নেয়া যাক।

     


    লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

    লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে হলে প্রথমেই আপনাকে একটি ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করতে হবে। আপনি যে কোম্পানি বা যার অধীনে কাজ করতে যাচ্ছেন, তার থেকে ওয়ার্ক পারমিট নিতে পারবেন। ওয়ার্ক পারমিট নেয়ার পর ভিসা আবেদন করতে হবে। ভিসা আবেদন করতে স্থানীয় লুক্সেমবার্গ ভিসা এম্বাসিতে যোগাযোগ করতে হবে।

    লুক্সেমবার্গ ভিসা এম্বাসিতে যোগাযোগ করে ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এরপর, সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এজন্য একটি অ্যাপয়েনমেন্ট নিয়ে ভিসা আবেদন ফরম সহ সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে। জমা দেয়ার পর ভিসা প্রসেসিং হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করতে কি কি লাগে

    লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার জন্য কিছু ডকুমেন্ট লাগবে। এছাড়াও, লুক্সেমবার্গ কাজের ভিসা আবেদন করতেও কিছু ডকুমেন্ট লাগবে। যা যা লাগবে – 

    • ৬ মাস মেয়াদ সহ বৈধ পাসপোর্ট
    • পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা ০২ কপি রঙিন ছবি
    • লুক্সেমবার্গ ভিসা আবেদন পূরণকরা ফরম
    • শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কর্ম অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র
    • ব্যাংক স্টেটমেন্ট
    • ওয়ার্ক পারমিট
    • মেডিকেল রিপোর্ট

    উপরোক্ত ডকুমেন্টগুলো দিয়ে লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে ভিসা আবেদন করতে পারবেন। ভিসা তৈরি হয়ে গেলে লুক্সেমবার্গ গিয়ে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তো চলুন, লুক্সেমবার্গ যেতে কত টাকা লাগে জেনে নেয়া যাক।


    লুক্সেমবার্গ যেতে কত টাকা লাগে

    লুক্সেমবার্গ যেতে ভিসা প্রসেসিং ফি, ফ্লাইট টিকেট, মেডিকেল চেকআপ, পাসপোর্ট সহ আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে মোট ৭-৮ লক্ষ টাকা লেগে থাকে। তবে, যদি কোনো ভিসা এজেন্সির সহযোগিতা নেন কিংবা দালালের সহযোগিতা নেন, তাহলে লুক্সেমবার্গ ভিসা করতে আরও বেশি খরচ হতে পারে।

    লুক্সেমবার্গ কাজের ভিসা করতে ৭ লক্ষ টাকা থেকে ৮ লক্ষ টাকা লাগতে পারে ভিসা ফি, প্লেনের টিকেট, মেডিকেল চেকআপ এবং আনুসাঙ্গিক খরচ সহ। তাহলে, বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসায় লুক্সেমবার্গ যেতে পারবেন। লুক্সেমবার্গ গিয়ে যে কাজে দক্ষ সেই কাজ করে অল্প সময়ে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। 

    লুক্সেমবার্গ কোন কাজের চাহিদা বেশি

    লুক্সেমবার্গে আইটি এবং টেকনোলজি, বৈদেশিক ভাষা বিশেষজ্ঞ, স্বাস্থ্যসেবা, ইঞ্জিনিয়ারিং, নির্মাণ ইত্যাদি কাজে অনেক বেশি চাহিদা রয়েছে। এই কাজগুলো করে অল্প সময়ে ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে, আপনাকে অবশ্যই এসব কাজের উপর দক্ষতার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

    লুক্সেমবার্গ এ প্রায় সকল কাজেই চাহিদা রয়েছে। আপনি যদি কোনো কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে যেকোনো কাজ করেই ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। লুক্সেমবার্গ এর সকলেই মিলিয়নিয়ার এমন একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে। তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন লুক্সেমবার্গ কাজের ভিসায় গিয়ে কী পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।


    আমাদের শেষ কথা

    এই পোস্টে আপনাদের সাথে লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম, ভিসা করতে কি কি লাগে এবং লুক্সেমবার্গ কোন কাজের চাহিদা বেশি এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসায় লুক্সেমবার্গ যেতে চান, তবে আশা করছি পোস্টটি আপনার জন্য সহায়ক হবে।

     

    প্রিয় পাঠক বন্ধু, আজকের এই পোস্টে আমরা লুক্সেমবার্গ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যাওয়ার উপায়, খরচ ও আবেদনের নিয়ম সম্পর্কে জানলাম। পরবর্তী পোস্টে আমরা ইউরোপের অন্য কোনো দেশের ভিসার আপডেট সম্পর্কে জানবো। নিয়মিত ইউরোপের উচ্চশিক্ষা, মধ্যপ্রাচ্যের ভিসা আপডেট ও শিক্ষার আপডেট জানতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট। এবং ফেসবুকে নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের অফিশিয়াল পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।